রাজশাহী — যেখানে প্রাচীন ইতিহাস, সমৃদ্ধ সাহিত্য, আধুনিক কৃষি এবং শিল্পের এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে। আসুন, আবিষ্কার করি আমাদের প্রিয় শহরকে।
রাজশাহী প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির অংশ ছিল। সেন, পাল এবং সুলতানি রাজবংশের শাসনামলে এই অঞ্চল শিল্প ও সংস্কৃতিতে চরম উৎকর্ষ লাভ করে। এখানকার প্রতিটি ধূলিকণায় লুকিয়ে আছে হাজার বছরের ইতিহাস।
অজস্র কবি, সাহিত্যিক ও গবেষকের জন্মস্থান এই রাজশাহী। বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রাচীন বাংলার অমূল্য নিদর্শন বহন করছে। এখানকার সাহিত্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন দেশজুড়ে বিস্তৃত।
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিক্ষানগরী, যেখানে গড়ে উঠেছে শ্রেষ্ঠ সব বিদ্যাপীঠ।
প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ খ্যাত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়, যা ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জ্ঞান বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।
১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যতম প্রাচীন ও শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ, যা আজও তার শিক্ষার মান ধরে রেখেছে দৃঢ়তার সাথে।
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত।
টি-বাঁধ, আই-বাঁধ এবং সীমান্ত অবকাশ কেন্দ্র দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ।
অপূর্ব টেরাকোটা সমৃদ্ধ প্রাচীন মন্দির ও জমিদার বাড়ি, পর্যটকদের মুগ্ধ করে।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা।
১৫২৩ সালে নির্মিত সুলতানি আমলের অনবদ্য স্থাপত্য শৈলী।
রাজশাহী অঞ্চল বাংলাদেশের ফলের রাজধানী হিসেবে পরিচিত। এর উর্বর মাটি আম, লিচু, পান ও নানা রকম ফসলের জন্য বিখ্যাত।
দেশের শীর্ষ আম উৎপাদনকারী
উন্নত কৃষি প্রযুক্তি
শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং সবুজায়ন বাড়াতে নিরলস কাজ করছে।
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ শহরের পরিকল্পিত নগরায়নে ও প্রশস্ত রাস্তাঘাটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অসংখ্য এনজিও এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রাজশাহীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে যাচ্ছে।